এবার কি তাহলে পুলিশ আমলা বনাম নির্বাচন কমিশন দ্বৈরথ!
ভারতী ঘোষের পর এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাজ্যের বেশ কয়েকজন আমলা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন বেশ কয়েকজন শীর্ষ পুলিস কর্তাও।

ওয়েব ডেস্ক: ভারতী ঘোষের পর এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাজ্যের বেশ কয়েকজন আমলা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন বেশ কয়েকজন শীর্ষ পুলিস কর্তাও।
বিরোধীদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভা ভোটের আগে একগুচ্ছ শীর্ষ পুলিস কর্তা ও আমলাদের পদ থেকে সরিয়ে দেয় কমিশন। তাদের মধ্যে ছিলেন ভারতী ঘোষও।
গত সপ্তাহেই তাঁকে সরানোর কারণ জানতে চেয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে দ্বারস্থ হন পঃ মেদিনীপুরের এসপি। তাঁর মতে মাওবাদী দমন অভিযানে এস পি পদমর্যাদায় ছিলেন তিনি। তিনি কোনও জেলার এসপি ছিলেন না। তারপরও তাঁকে কোন অভিযোগের ভিত্তিতে অপসারণ করা হয় তা জানতে চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন ভারতী ঘোষ।
বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার নগরপাল রাজীব কুমার ও ছয় জেলার এসপি সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রায় ৭০জন পুলিস আধিকারিককে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। ফল বেরোনোর পরেই অপসারিতদের পুনর্বহাল করা হয়।
২০১৫-র ডিসেম্বর থেকেই কমিশন সমান্তরাল প্রশাসন চালাচ্ছে , বার বার অভিযোগ করে শাসক দল। দ্বিতীয়বার নবান্ন দখলের পরই কমিশনই যে নতুন সরকারের টার্গেট হতে যাচ্ছে ইঙ্গিত মিলেছিল শীর্ষ নেতাদের তরফেই।
সূত্রের খবর, আগামী সাত জুন ভারতী ঘোষের মামলার শুনানি। সেই শুনানির পরই কোনপথে আইনি পদক্ষেপ সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন এই আমলারা।
অন্যদিকে, দল হিসাবে তৃণমূল কমিশনের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটবে না সংসদে কমিশন বিরোধিতায় সোচ্চার হবে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে দু-একদিনের মধ্যেই।