''দিদি আছেন বলে গরিব মেয়েদের বিয়ে হয়, আপনারা আগে ভেবেছেন একথা?'' ভাঙড়ে ক্ষোভের মুখে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য
ঘটনাটি ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকের প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের মরিচা গ্রামের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: "দিদি যা করেছেন, আপনারা তা ৩৪ বছরেও করতে পারেননি। এখন আবার ভোট চাইতে এসছেন!" ভাঙড়ে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে গ্রামবাসীদের রোষের মুখে পড়ে এমনই কথা শুনতে হল যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে।
ঘটনাটি ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকের প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের মরিচা গ্রামের। রবিবার প্রচারে গিয়ে বিকাশরঞ্জনবাবুর কাছে দলীয় কর্মী সমর্থকরা অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মীরা সিপিএমের পতাকা খুলে নিয়েছেন। স্থানীয় বামকর্মী সমর্থকদের তিনি তখন অভিযুক্তদের নাম ও তাঁদের বাড়ি কোথায় জানতে চান। কোনও নিরাপত্তারক্ষী বা পুলিশ ছাড়াই স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে বিকাশরঞ্জনবাবু তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে যান। বিকাশবাবু নিজেই তাঁদের নাম ধরে ডাকতে থাকেন। জানতে চান তাঁরা বাড়ি রয়েছেন কিনা।
পঞ্চম দফায় বুথের নিরাপত্তায় শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী, থাকবে না রাজ্য পুলিস
প্রথম যাঁর বাড়িতে তিনি যান, তাঁকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পর এলাকা ছাড়ার সময় কার্যত রোষের মুখে পড়েন তিনি। তখনই তাঁকে বলা হয়, '' দিদি আছেন বলেই গরিব মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে। আপনারা একবারও চিন্তা ভাবনা করেছেন?"