Municipal Election: পিছিয়ে দেওয়া হোক রাজ্যের পুরসভাগুলির নির্বাচন,আগামিকাল কমিশনে বিজেপি
শমীক ভট্টাচার্য বলেন, করোনা সংক্রমণের হার কিছুটা কম হলেও কত কম তা পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের কথা মাথায় রেখে রাজ্যের ৪ পুর নিগমের ভোটগ্রহণ পিছিয়ে দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার সেই ভোটের গণনা পিছিয়ে দেওয়ার পক্ষে রাজ্য বিজেপি। পাশাপাশি ২৭ ফেব্রুয়ারি যেসব পুরসভার ভোট রয়েছে তা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানাতে চলেছে গেরুয়া শিবির। এনিয়ে আগামিকাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে রাজ্য বিজেপি।
রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যের ৪টি পুর নিগমের ভোট হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি। ভোট গণনা ১৪ ফেব্রুয়ারি। অন্যদিকে, রাজ্যের অন্যান্য পুরসভাগুলির ভোটগ্রহণ হচ্ছে ২৭ ফেব্রুয়ারি। ভোটগণনা সম্ভবত মার্চ মাসের ৩ তারিখে। আগামিকাল বিজেপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, ৪ পুর নিগম এবং ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনের ভোট গণনা একই দিনে হোক। পাশাপাশি, পিছিয়ে দেওয়া হোক ২৭ ফেব্রুারির পুরভোট।
আরও পড়ুন-আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ এই ৮ তথ্য
কেন এমন দাবি? শমীক ভট্টাচার্য বলেন, করোনা সংক্রমণের হার কিছুটা কম হলেও কত কম তা পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝা যাবে না। কারণ বহু মানুষ টেস্টের আওতায় নেই। কিন্তু সংক্রমণ বাড়ছে। উত্তরবঙ্গে বাড়ছে, উত্তর ২৪ পরগনায় বাড়ছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণের হার বৃদ্ধি হচ্ছে। মৃত্যুর সংখ্যা খুব একটা কম হয়নি। এরকম এক পরিস্থিতিতে ২৭ ফেব্রুয়ারির যে পুরভোট তাকে ৪ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হোক। এবং ৪ পুরনিগমের ভোটগণনা একই দিনে হোক।